আল-মু’ঈন ফাউন্ডেশন পরিচালিত একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান — কুরআনের আলো ও আদর্শ প্রজন্ম গঠনের প্রত্যয়ে।
মুঈনুল কুরআন মাদরাসা ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করে এবং ২০১৬ সালে বর্তমান ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই আমাদের লক্ষ্য একটাই — কুরআন ও সুন্নাহর আলোয় আলোকিত, নৈতিকতাসম্পন্ন ও কর্মদক্ষ একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা।
ধর্মহীন কর্মশিক্ষা কিংবা কর্মহীন ধর্মশিক্ষা — এ দুইয়ের পরিবর্তে আমরা বিশ্বাস করি কর্মমুখী ধর্মশিক্ষায়। তাই এখানে কুরআন হিফজ ও কিতাবি ইলমের পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের সাধারণ শিক্ষাও পাঠক্রমের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এক দশকের পথচলায় শত শত শিক্ষার্থী এখান থেকে কুরআনের আলো নিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করছেন।
বর্তমান শিক্ষার্থী
অভিজ্ঞ শিক্ষক
বছরের পথচলা
শিশুর প্রথম হরফ চেনা থেকে শুরু করে কিতাবি ইলমের উচ্চতর স্তর পর্যন্ত — প্রতিটি ধাপের জন্য আলাদা বিভাগ ও আলাদা শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন।
শিশুদের জন্য কুরআন শিক্ষার প্রাথমিক স্তর। সহীহ মাখরাজ, তাজবীদ, প্রয়োজনীয় দোয়া-দরুদ ও নামাজের নিয়ম হাতে-কলমে শেখানো হয়।
পূর্ণ কুরআন শরীফ শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করার প্রশিক্ষণ। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আলাদাভাবে শোনা হয় ও ভুল সংশোধন করা হয়।
অভিজ্ঞ হাফেজ শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে পূর্ণ কুরআন মুখস্থকরণ। নিয়মিত সবক, সাবেক ও আমুখতা পর্যালোচনার সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা রয়েছে।
আরবি, উর্দু ও ফারসি ভাষার মৌলিক কিতাবসহ ফিকহ, হাদীস ও আকাইদের পাঠদান। পাশাপাশি বাংলা, গণিত ও ইংরেজি সাধারণ শিক্ষা।
পাঁচ ওয়াক্ত জামাতে নামাজ, আদব-আখলাকের নিয়মিত পাঠ ও শিক্ষকদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে গড়ে ওঠে শিক্ষার্থীর চরিত্র।
দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও কম্পিউটারের প্রাথমিক পাঠ — যেন শিক্ষার্থী বাস্তব জীবনেও দক্ষ হয়ে ওঠে।
ফজরের আগে জাগরণ থেকে রাতের বিশ্রাম পর্যন্ত — প্রতিটি মুহূর্ত একটি নির্ধারিত ছকে বাঁধা। এই ধারাবাহিকতাই শিক্ষার্থীর ভেতরে গড়ে তোলে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সময়ানুবর্তিতা।
| সময় | কার্যক্রম |
|---|---|
| ফজরের পূর্বে | তাহাজ্জুদ ও ঘুম থেকে জাগরণ |
| ফজর – সকাল ৭টা | জামাতে নামাজ ও সবক মুখস্থ |
| সকাল ৮টা – ১১টা | শ্রেণি পাঠদান (প্রথম পর্ব) |
| দুপুর ১২টা – ২টা | যোহরের নামাজ, খাবার ও বিশ্রাম |
| বিকাল ৩টা – ৫টা | শ্রেণি পাঠদান (দ্বিতীয় পর্ব) |
| মাগরিব – এশা | সাবেক ও আমুখতা পর্যালোচনা |
| রাত ৯টা – ১০টা | রাতের খাবার ও নিদ্রা |
শিক্ষার্থীর পড়াশোনা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা — তিনটিকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে ক্যাম্পাস পরিচালিত হয়।
পরিচ্ছন্ন ও আলো-বাতাসপূর্ণ আবাসিক কক্ষ, প্রতিটি তলায় তত্ত্বাবধায়ক শিক্ষক।
চিকিৎসকের পরামর্শে প্রণীত সাপ্তাহিক মেন্যু অনুযায়ী তিন বেলার খাবার।
তাফসীর, হাদীস, ফিকহ ও সাধারণ জ্ঞানের বইয়ের সংগ্রহশালা।
প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে পাঠানোর সহায়তা।
সিসি ক্যামেরার আওতায় পুরো ক্যাম্পাস ও ২৪ ঘণ্টা তত্ত্বাবধান।
সাপ্তাহিক খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন।
প্রতি শিক্ষাবর্ষের শুরুতে সীমিত আসনে ভর্তি কার্যক্রম চলে। আসন পূর্ণ হওয়ার আগেই যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল।
মিরপুর সিরামিক টেকনো ইসলামিক ট্রেনিং কমপ্লেক্স, ১২/ডি, এভি: ২, সিরামিক রোড, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬